শিরোনাম

» ঢাকায় কাশবন দেখতে যেখানে যাবেন

ঢাকায় কাশবন দেখতে যেখানে যাবেন

ঢাকা:  নগরজীবনের ব্যস্ততার ফাঁকে একটু শান্তির খোঁজে ক্ষণিকের জন্য যেতে পারেন ঢাকার কাছেই কাশফুলের বনে। ইট-পাথরের যান্ত্রিক এই শহরে প্রকৃতির এমন নিষ্পাপ সৌহার্দ একনিমিষে মুছে দেবে শত গ্লানি। তাই জীবন থেকে কিছুটা সময় প্রকৃতিকে দিন, প্রকৃতি আপনাকে রংধনুর চাদরে জড়িয়ে রাখবে।

রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রীর আফতাবনগরের কাশবন ঘুরে এমনই অনুভূতি জেগবে আপনার।পড়ন্ত বিকেলে কাছের প্রিয় মানুষগুলোর সাথে কাশবনের বাঁকে হাঁটার মুহূর্তটি হবে শরতের শ্রেষ্ঠ উপহার।

আফতাবনগর ছাড়াও খোলা বাতাস পাওয়ার আরেক জায়গা উত্তরা দিয়াবাড়ি। প্রকৃতিপ্রেমিদের ভিড় এখানে লেগেই থাকে। এদিকে বসুন্ধরা ৩০০ ফিট রাস্তার চারপাশ এখনো রয়েছে শরতের দখলে। একটু সময় নিয়ে ঢাকার এপাশ-ওপাশ তাকালেই মিলবে নয়নাভিরাম অনেক দৃশ্য।

আফতাবনগরে প্রকৃতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার মুহূর্তে হাজির হয় বৃষ্টির ফোঁটা। শরতভেজা ব্যাকুলতায় সেদিন বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা ছিল আশাতীত ভালোলাগার। শরতে কাশফুলের কোমল পরশ আর সাদা সাদা নরম মেঘের ফাঁক গলে মাঝে মাঝে উঁকি দেয় সোনাঝরা রোদ। যত দূর চোখ যায়, দৃষ্টিজুড়ে শুধু কাশবন আর কাশবন। বিস্তীর্ণ এলাকা যেন শুভ্রতার চাদরে মোড়া এক অপরূপ সৌন্দর্যের রাজ্য।

কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য পুলকিত করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। শ্বেত-শুভ্র কাশফুলের নরম পালকে চড়ে মেঘের দেশে হারিয়ে যেতে কার না মন চায়! নীল আকাশের নিচে সাদা কাশফুল যখন বাতাসে দুলতে থাকে তখন মনটাও যেন শরৎ প্রেমে আন্দোলিত হয়। তাই প্রকৃতির এমন প্রেম থেকে মনকে বঞ্চিত না করে আসুন আমরা প্রকৃতির সাথে মিশি।

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় আসতে হবে। রামপুরা ব্রিজে নেমে একটু আগালেই আফতাবনগর। এছাড়া রামপুরার ভেতরে বনশ্রী যাওয়ার পথে অনেকগুলো ব্রিজ আছে, যেগুলো পার হয়ে আফতাবনগরে যেতে পারবেন। এছাড়া রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি নামক স্থানে যেতে চাইলে যে কোনো পরিবহনে যেতে পারবেন।