শিরোনাম

» বুড়িগঙ্গায় নিখোঁজ একই পরিবারের ৬ জনের সন্ধান মেলেনি

সদরঘাট এলাকায় লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবির ঘটনার ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও একই পরিবারের নিখোঁজ ছয়জনের কোনও সন্ধান মেলেনি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল, নৌপুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ করছেন। অপরদিকে, লঞ্চটির পাখার আঘাতে দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ব্যক্তির অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। তিনি পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের উপপরিচালক মো. মানিকুজ্জামান বলেন, ‘একই পরিবারের ছয়জন এখনও নিখোঁজ। আমরা গত রাত থেকে কাজ করছি। আমাদের সাত ডুবুরি কাজ করছেন। এছাড়াও আমরা ৩০/৪০ জন কর্মী, কর্মকর্তা এখানে আছি। নৌপুলিশ আমাদের সহযোগিতা করছে। তবে কাউকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে কামরাঙ্গিরচর থেকে শাহজালাল মিয়া নামে এক ব্যক্তি তার পরিবারকে নিয়ে নৌকায় চড়ে সদরঘাটে যাচ্ছিলেন। তারা সাতজন ছিলেন নৌকাটিতে। সদরঘাটের কাছাকাছি পৌঁছালে সুরভী-৭ লঞ্চের পিছন দিকের ধাক্কায় তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। এসময় লঞ্চের পেছনে থাকা পাখার আঘাতে শাহজালালের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাশেই থাকা নৌ পুলিশের একটি টহল টিম শাহজালালকে উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠাতে পারলেও অন্যরা সবাই পানিতে তলিয়ে যায়।

হারিয়ে যাওয়া দুই শিশু মীম ও মাহিনিখোঁজ সদস্যরা হলেন শাহজালালের স্ত্রী শাহিদা এবং তাদের দুই মেয়ে মীম ও মাহি। অন্যরা হলেন শাহজালালের ভাই দেলোয়ার, তার স্ত্রী জামশিদা ও তাদের ৭ মাস বয়সী শিশু সন্তান।

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন