প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর বাংলাদেশ। পাহাড়, সমুদ্র, নদী, হাওর কিংবা সবুজের সমারোহ, পর্যটনের জন্য রয়েছে বৈচিত্র্যময় অনেক গন্তব্য। তবে সম্ভাবনা থাকলেও এর খাতের হয় নি কাঙ্ক্ষিত বিকাশ। বাস্তবায়ন হয় নি পর্যটন মহাপরিকল্পনায় থাকা ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট চিহ্নিত করা। বিদেশী পর্যটকদের জন্য আছে ভিসা সংকট। এমন বাস্তবতায় দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন।
কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত,সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন,সিলেটের চা-বাগান ও পাহাড়, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি-বান্দরবানের সবুজ পাহাড়।
প্রকৃতির বৈচিত্র্যে অনন্য বাংলাদেশ।
প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে ছুটে আসেন অনেক পর্যটক। পর্যটনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, পরিবহনসহ নানা ধরনের ব্যবসা। তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থানের সুযোগও।
তবে পর্যটন সম্ভাবনার তুলনায় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এখনও অনেক সীমিত। পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ যাতায়াত, পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত বিনোদন সুবিধা ও মানসম্মত সেবার ঘাটতি রয়েছে। আছে নিরাপত্তার ঝুঁকি ও।
বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। যা ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। পাশাপাশি ট্যুরিজিম মাস্টার প্ল্যান সংশোধন করা হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর কাজ শেষ হবে। ট্যুরিজিম নীতিমালা হাল নাগাদ করা হয়েছে দ্রুতই যা জারি করা হবে প্রজ্ঞাপন আকারে ।
ট্যুরিজম বোর্ড বলছে, দেশের বাইরে ইমেজ সংকটের কারণে বিদেশি পর্যটকরা আসছে না। তবে সে সংকট সমাধানে কাজ করছে ট্যুরিজম বোর্ড। একই সঙ্গে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছে তারা।
পর্যটন দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ১৩ টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হবে। দিবসটি উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী মেলার আয়োজন করেছে পর্যটন মন্ত্রণালয়।