সর্বশেষ:

» কুকুর-বিড়ালের প্রতি নিষ্ঠুরতা বাড়ছে

কুকুর-বিড়ালের প্রতি নিষ্ঠুরতা বাড়ছে

ঢাকা: বাংলাদেশে রাস্তায় কুকুর ও বিড়ালের ওপর নিষ্ঠুরতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯ থাকলেও আইনের প্রয়োগে গাফিলতি, মামলায় অনাগ্রহ ও প্রশাসনিক জটিলতায় এই নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না—বলছেন প্রাণী অধিকার কর্মীরা।

অথচ বেওয়ারিশ এই প্রাণীদের নিরাপত্তায় প্রাণী কল্যাণ আইন রয়েছে। অপ্রয়োজনীয় নিষ্ঠুরতার অভিযোগে রয়েছে জেল-জরিমানার বিধান। প্রাণী অধিকার কর্মী ও গবেষকেরা বলছেন, আইনি জটিলতার কারণে অনেকেই মামলায় আগ্রহ হারাচ্ছেন। তাঁদের দাবি আইনের প্রয়োগ করতে হলে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরকেই উদ্যোগী হতে হবে।

পৃথিবীর সব প্রাণীর ক্ষেত্রেই মা-সন্তানের সম্পর্ক চিরন্তন ও শাশ্বত। মায়ের কাছ থেকেই শেখা বেঁচে থাকার প্রথম পাঠ। সভ্য মানুষ হোক আর পথের কুকুর-বিড়াল সব প্রাণেই আছে আবেগের প্রকাশ।

আদিকাল থেকেই মানুষের সহচর কুকুর ও বিড়াল। শিকারের সহচর থেকে শুরু করে বসত-বাড়িতে এদের বিচরণ। খাবারের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বাঁচে এরা। সহায়তা করে চারপাশের আবর্জনা পরিষ্কারে। এরা এখন সমাজেরই অংশ হয়ে উঠেছে। অথচ এদের ওপরই বাড়ছে মানুষের নৃশংসতা। পথের কুকুর, বিড়ালের নিরাপত্তায় ২০১৯ সালে গঠন হয়েছে প্রাণী কল্যাণ আইন।

ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড.ফিরোজ জামান জানান, প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯  প্রধান দণ্ডবিধি অনুযায়ী, অপ্রয়োজনীয় নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন, অতিরিক্ত পরিশ্রম করালে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অপ্রয়োজনীয় ও নিষ্ঠুরভাবে কোনো প্রাণী হত্যা, দুই বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

প্রাণী অধিকার কর্মী রাকিবুল এমিল বলেন, প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধে প্রাণী কল্যাণ আইনে ছয় বছরে মাত্র চারটি মামলা হয়েছে। তবে আইনগত জটিলতায় অনেকেই মামলায় আগ্রহ হারাচ্ছেন।

সর্বশেষ সংবাদ